একুশের প্রথম প্রহরে জাতীয় শহীদ মিনারে বন্ধুসভার শ্রদ্ধাঞ্জলি

· Prothom Alo

বাংলা শুধু একটি দিনের আবেগ নয়—এই ভাষা আমাদের স্বাধীনতা, আত্মপরিচয় ও জাতিসত্তার মূল ভিত্তি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও সঠিক চর্চা ছড়িয়ে দিতে হবে, আর দল-মতনির্বিশেষে সবার জীবনের সব ক্ষেত্রে বাংলাকেই প্রাধান্য দিতে হবে।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দেওয়া শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছে প্রথম আলো বন্ধুসভা। এ উপলক্ষে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকার জাতীয় শহীদ মিনারে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

Visit sports24.club for more information.

ঢাকার জাতীয় শহীদ মিনারে প্রথম আলো বন্ধুসভার পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের উপদেষ্টা আশিকুজ্জামান অভি, সভাপতি জাফর সাদিক, নির্বাহী সভাপতি ফরহাদ হোসেন মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বুশরা, অর্থ সম্পাদক শাকিব হাসান, ঢাকা মহানগর বন্ধুসভার সভাপতি হাসান মাহমুদ সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক অনিক সরকার, সহসভাপতি রাজা মান্নান তালুকদার ও মামুন হোসাইন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ও মেঘা খেতান, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হাসান, দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মুর্শিদা খাতুন, ম্যাগাজিন সম্পাদক বর্ণিক বৈশ্য, কার্যনির্বাহী সদস্য হোসাইন ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার সভাপতি ইফাদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিবসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য বন্ধুরা।

গভীর শ্রদ্ধা ও নীরবতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন এই কর্মসূচিতে ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ এবং বাংলার মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকার জাতীয় শহীদ মিনারে প্রথম আলো বন্ধুসভার পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ

এ বিষয়ে বন্ধুসভা জাতীয় পর্ষদের সভাপতি জাফর সাদিক বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে বীর শহীদরা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে আমাদের ভাষার অধিকার রক্ষা করে গেছেন। বাংলায় কথা বলার স্বাধীনতা, আনন্দ ও তৃপ্তি আমাদের উপহার দিয়েছেন তাঁরা। বাংলা ভাষার প্রতি আমাদের আবেগ ও ভালোবাসা যেন কেবল ফেব্রুয়ারি বা ভাষা দিবসকেন্দ্রিক না থাকে; এটি প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে পড়ুক। দল-মতনির্বিশেষে সব ক্ষেত্রে বিশেষ বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাকে এককভাবে প্রাধান্য দিতে হবে।’

জাতীয় পর্ষদের নির্বাহী সভাপতি ফরহাদ হোসেন মল্লিক বলেন, ‘বাঙালি হিসেবে মাতৃভাষার সঠিক ও পূর্ণ জ্ঞান অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বাংলা ভাষার মর্যাদা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও বিস্তৃত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। একই সঙ্গে দেশের সব ক্ষেত্রে বাংলার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’

জাতীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টি বলেন, ‘১৯৫২-এর লড়াই ছিল নিজ ভাষায় কথা বলার অধিকারের। প্রমিত বাংলার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের প্রাণের ভাষাকে সম্মান জানানোই হোক আজকের অঙ্গীকার। আমাদের এই ভাষাগত বৈচিত্র্যকে আগলে রেখেই গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ আগামীর বাংলাদেশ।’

Read full story at source