কুমিল্লায় ঈদে ফিরছে বড় পর্দা, উদ্বোধনে শাকিব খানের সিনেমা চান মালিক

· Prothom Alo

দীর্ঘদিন প্রেক্ষাগৃহশূন্য কুমিল্লায় অবশেষে ফিরছে বড় পর্দার আলো। আগামী ঈদুল ফিতরেই নগরীর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার গোমতি শপিং সেন্টারের আটতলায় চালু হতে যাচ্ছে কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স। দুই শতাধিক আসনের দুটি আধুনিক পর্দা নিয়ে যাত্রা শুরু করতে যাওয়া এই প্রেক্ষাগৃহ উদ্বোধন করতে চান ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের নতুন সিনেমা দিয়ে—এমনটাই জানিয়েছেন হলটির উদ্যোক্তা ও প্রযোজকনেতা খোরশেদ আলম।

Visit amunra.qpon for more information.

কুমিল্লার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার গোমতি শপিং সেন্টারের আটতলায় চালু হতে যাচ্ছে কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স

কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্সে থাকছে ২০০ ও ২৫০ আসনের দুটি স্ক্রিন। উদ্যোক্তার ভাষ্য অনুযায়ী, আধুনিক ৮: ১ সাউন্ড সিস্টেম ও ডিসিপি প্রজেকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে দর্শক আন্তর্জাতিক মানের অডিও-ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা পান। পাশাপাশি দর্শকের জন্য থাকছে ফুড কোর্ট সুবিধাও। প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রেক্ষাগৃহকে কুমিল্লার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নতুন এক ঠিকানা হিসেবে গড়ে তুলতে চান খোরশেদ আলম।

খোরশেদ আলম বলেন, ‘সিনেমার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের বসবাস। দুই দশকের বেশি সময় ধরে প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত আছি। বিভিন্ন হল পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকেও জানি, দর্শক এখন আর ভাঙাচোরা পরিবেশে ছবি দেখতে চান না। তাঁরা চান পরিচ্ছন্ন, আরামদায়ক ও প্রযুক্তিনির্ভর হল। সেই লক্ষ্য থেকেই কে-স্ক্রিনকে আধুনিক মানদণ্ডে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

‘প্রিন্স’ সিনেমার মোশন পোস্টারে এভাবেই দেখা গেছে শাকিব খানকে

আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খানের সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ানস আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। কে–স্ক্রিন সিনেপ্লেক্স এই সিনেমা দিয়ে উদ্ভোধন করতে চান। উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে শাকিব খানের সিনেমা বেছে নেওয়ার পরিকল্পনার বিষয়ে খোরশেদ বলেন, ঈদ মানেই বড় বাজেটের ছবি, বড় তারকার উপস্থিতি আর দর্শকের ভিড়। শাকিব খানের সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারলে সেটি কুমিল্লার দর্শকের জন্য বিশেষ আনন্দের হবে।

খোরশেদ আলম জানান, টিকিটের মূল্য দেশের অন্যান্য সিনেপ্লেক্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নির্ধারণ করা হবে। একই সঙ্গে দেশীয় সিনেমাকে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়ার কথাও স্পষ্ট করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে কুমিল্লায় কার্যকর কোনো প্রেক্ষাগৃহ নেই। এর ফলে বড় পর্দায় নতুন ছবি দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন স্থানীয় দর্শক। ঈদে কে-স্ক্রিন সিনেপ্লেক্সের যাত্রা সেই শূন্যতা অনেকটাই পূরণ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সিনেমাপ্রেমীদের।

Read full story at source