মন্ত্রীর সঙ্গে ধাক্কা নিয়ে মাসুদ অরুন বললেন, সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য ভিডিও ছড়ানো হয়েছে

· Prothom Alo

মেহেরপুরে খাল খনন কর্মসূচির অনুষ্ঠানে ভিড়ের মধ্যে বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনকে ধাক্কা দেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী (এ্যানি)– এমন ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে আজ সোমবার দুপুরে মাসুদ অরুন এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘এ্যানি আমার বন্ধু, আমার ভাই। খাল খনন কর্মসূচিতে উনি আমার সঙ্গে করমর্দন করেন, কুশলাদি বিনিময় করেন। অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ের একটি ভিডিও করে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

Visit betsport.cv for more information.

এ বিষয়ে মাসুদ অরুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী আমাকে চারবার ফোন করেছেন। মন্ত্রীর সঙ্গে আজ সকালে তাঁর দপ্তরে মেহেরপুরের রাজনীতি নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। জেলা কমিটির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। যারা এই ভিডিও ভাইরাল করেছে, আমাকে অপমানিত করার জন্য, তাদের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।’

মেহেরপুর সদর উপজেলার বলিহারপুর গ্রামে গত শনিবার বিকেলে জিয়া খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

জেলা বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানির আগমন উপলক্ষে জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী কামরুল হোসেন তাঁদের অনুসারীদের নিয়ে খালের এক পাশে অবস্থান নেন। অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন ও গাংনী উপজেলার সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেন তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে অন্য পাশে অবস্থান করছিলেন। মন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে চার নেতার অনুসারীরা নিজ নিজ নেতার নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে মন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলতে হুড়াহুড়ি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় পড়ে যাওয়ার উপক্রম হলে মন্ত্রী ভিড় সরাতে চেষ্টা করেন। এ সময় পাশে থাকা মাসুদ অরুনকে তিনি ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। উপস্থিত কর্মীদের মুঠোফোনে ধারণ করা সেই দৃশ্য মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবার ঘটনাস্থলে থাকা মেহেরপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনাটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত। নেতা-কর্মীরা যেভাবে ছবি তোলার জন্য হুড়াহুড়ি করছিলেন, তা ছিল দৃষ্টিকটু। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার স্বার্থে মন্ত্রী ভিড় সরানোর চেষ্টা করেছিলেন। ভিড়ের চাপে ভুলবশত মাসুদ অরুন ধাক্কা খান। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নিতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভিডিওটি ছড়িয়েছে।’

Read full story at source