মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র তুলে নেওয়ার পর প্রথম বিদেশি নেতা হিসেবে ভেনেজুয়েলায় গেলেন পেত্রো
· Prothom Alo

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ ও কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় ‘অপরাধ চক্র’ দমনে পরস্পরকে সামরিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার ভেনেজুয়েলায় দুই নেতার মধ্যে বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিকোলা মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পেত্রোই দেশটিতে সফরকারী প্রথম কোনো বিদেশি নেতা।
Visit raccoongame.org for more information.
গত জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন রদ্রিগেজ।
ভেনেজুয়েলা সফরে গিয়ে গতকাল রদ্রিগেজের সঙ্গে বৈঠক করেন পেত্রো। এরপর দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় যৌথ সামরিক সহযোগিতার ঘোষণা দেন তিনি। পেত্রো বলেন, কোকেন পাচার, অবৈধ সোনা, মানব পাচার ও বিরল খনিজসহ নানা অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অপরাধচক্রগুলোর হাত থেকে সীমান্তকে রক্ষা করাই এ যৌথ সামরিক উদ্যোগের লক্ষ্য।
রদ্রিগেজ বলেছেন, দুই দেশ শুধু সামরিক পরিকল্পনাই করছে না, বরং দ্রুত তথ্য বিনিময় ও গোয়েন্দা সহযোগিতার ব্যবস্থাও গড়ে তুলছে।
৩ জানুয়ারি কারাকাসে মার্কিন বাহিনী আকস্মিক অভিযান চালিয়ে সমাজতান্ত্রিক নেতা মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়। তাঁকে নিউইয়র্কের কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। এরপরই রদ্রিগেজ ক্ষমতায় আসেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রদ্রিগেজের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে। এতে ভেনেজুয়েলার তেল খাত মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। তবে পেত্রো যুক্তরাষ্ট্রের এ সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, বামপন্থী এ নেতা মাদক উৎপাদন বন্ধে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
এর আগে মার্চে কলম্বিয়ার সীমান্ত শহর কুকুতায় পেত্রো ও রদ্রিগেজের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়ে যায়। কুকুতা অঞ্চলটি বহু মাদক পাচারকারী ও বামপন্থী গেরিলা গোষ্ঠীর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে তাদের আশ্রয়–প্রশ্রয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে কলম্বিয়া।