গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালায় কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
· Prothom Alo

প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার উদ্যোগে টিকরামপুর গ্রামে শিক্ষা সচেতনতা বৃদ্ধি'র জন্য একটি কমিউনিটি সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান শিক্ষক রাজিত দাস, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ টিকরামপুর গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। কমিউনিটি সভায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। আলোচনার মূল বিষয়বস্তুগুলোর মধ্যে ছিল—শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি, দেরিতে স্কুলে যাওয়া, বাড়িতে সময়মত পড়তে বসা, ইউনিফরম, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শিশুশ্রম বন্ধ। সভায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানসহ প্রত্যেকটি পাঠ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং শ্রেণি শিক্ষকগণ দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
Visit casino-promo.biz for more information.
সভায় ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী মারডীর বাবা ফিলিপ মারডী তাঁর মনের কথা ব্যক্ত করে বলেন, ' হামরা গরীব মানুষ, মাঠ-ঘাটোত কাজ কোরে খাই। ইস্কুলে মিটিং হলে বেশির ভাগ সমায় য্যাতে পারি না। হামাঘেরে গ্রামোত মিটিং হয়ে খুব ভালো হইসে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালাটি চালু হওয়ায় তাঁর মেয়ে লেখাপড়ায় মনোযোগী হয়েছে এবং এই ধরনের মিটিং মাঝে মধ্যে অনুষ্ঠিত হলে তা তাদের জন্য খুবই ভালো হবে। তিনি প্রথম আলো ট্রাস্টকে ধন্যবাদ জানান।
উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অভিভাবকরা তাদের বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।প্রধান শিক্ষক রাজিত দাস উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্যে শিক্ষাকে একটি ত্রিভুজ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, "শিক্ষা কেবল ক্লাসরুমে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ত্রিভুজ, যার এক কোণে আছে শিক্ষার্থী, অন্য কোণে শিক্ষক এবং তৃতীয় কোণে আপনারা—অভিভাবকরা। এই তিনের মেলবন্ধন ছাড়া একটি শিশুর যথাযথ বিকাশ সম্ভব নয়।" তিনি অভিভাবকদের প্রতি বাড়িতে পড়ার পরিবেশ তৈরি করা, সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা এবং শিক্ষার্থীকে স্মার্টফোন ব্যবহার বন্ধ করার পাশাপাশি মানসিক সাপোর্ট দেওয়ার বিষয়েও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।