ঢাকায় বিওয়াইডি বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ শোরুম চালু

· Prothom Alo

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকেল (এনইভি) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি বাংলাদেশে দুটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। দেশে ব্র্যান্ডটির সবচেয়ে বড় শোরুম উদ্বোধনের পাশাপাশি, ক্রেতাদের জন্য ভেহিকেল ডেলিভারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা ও বাজারে টেকসই মোবিলিটি সলিউশন ত্বরান্বিত করতে বিওয়াইডির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে এ আয়োজন।

Visit esporist.org for more information.

আজ শনিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে অ্যারিস্টো টাওয়ারে ছয় হাজার বর্গফুটের এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিওয়াইডি এশিয়া-প্যাসিফিকের অটো সেলস ডিভিশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কেৎসু ঝ্যাং। অন্য অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সিজি রানার বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিদ সাকিফ খান, বিওয়াইডি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার চার্লস রেন, চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের ও হেড অব নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট মিথুন ভট্টাচার্য।

এ সময় কেৎসু ঝ্যাং বলেন, ‘এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ বিওয়াইডির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় বাজার। এই এক্সক্লুসিভ শোরুম উদ্বোধন এ দেশের ক্রেতাদের কাছে বিশ্বমানের নিউ এনার্জি মোবিলিটিকে আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতিরও প্রতিফলন। বাংলাদেশে আমাদের যাত্রা দৃঢ় করতে পেরে আমরা উচ্ছ্বসিত।’

এ ছাড়া আজ বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে একটি এক্সক্লুসিভ ভেহিকেল ডেলিভারি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে ৩০ জন ক্রেতার কাছে গাড়ির চাবি তুলে দেওয়া হয়। বিওয়াইডির উদ্ভাবনী এনইভি প্রি-অর্ডার করেছেন এমন ক্রেতা ও তাঁদের পরিবারের জন্য এ আয়োজন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশের রাস্তার উপযোগী অত্যাধুনিক গাড়ি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বিওয়াইডি গাড়ির ক্রেতা ব্যবসায়ী প্রণয় কুমার বিশ্বাস তাঁর অভিজ্ঞতায় জ্বালানি সাশ্রয়কে প্রাধান্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মূলত জ্বালানি খরচ কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই আমি বিওয়াইডি বেছে নিয়েছি। বাসা থেকে অফিস বা নিয়মিত যাতায়াতের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ি বর্তমানে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।’

বিওয়াইডি গাড়ি। আজ ঢাকায়

অন্যদিকে নতুন প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকে বৈদ্যুতিক গাড়িতে যুক্ত হয়েছেন ব্যবসায়ী জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হতে আমার চতুর্থ গাড়ি হিসেবে আমি একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি বেছে নিয়েছি।’

বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে ইতিবাচক মত দিয়েছেন আরেক ক্রেতা মোস্তাফিজুর রহমান। তাঁর মতে, অন্যান্য সাধারণ জ্বালানিচালিত গাড়ির তুলনায় বৈদ্যুতিক গাড়ির রাইডিং অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সুবিধা অনেক বেশি। এটি চালানো যেমন সহজ, তেমনি রক্ষণাবেক্ষণও সুবিধাজনক।

আমিদ সাকিফ খান বলেন, ‘আমরা গ্রাহকের চাহিদা বুঝে জ্বালানিসাশ্রয়ী আধুনিক ও ভবিষ্যতের প্রযুক্তির গাড়ি সরবরাহ করছি।’ প্রকৌশলী ও জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার শুভাশিস ভৌমিক দেড় বছর ধরে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহার করছেন। দেশের বাজারে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দেড় বছর আগেই বিওয়াইডির গাড়ি ব্যবহার শুরু করি। পশ্চিমা বিশ্বে যেখানে ৪-৫ বছর আগেই বৈদ্যুতিক গাড়ি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, সেখানে আমাদের দেশে এর ব্যবহার এখনো তুলনামূলক কম। তবে সচেতনতা ও অবকাঠামো বাড়লে দ্রুতই এটি মূলধারায় চলে আসবে।’

Read full story at source