ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত অপরাধী ছাড় পাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
· Prothom Alo

রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত অপরাধীরা কোনো ছাড় পাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ময়নাতদন্ত ছাড়া মামলা হলে আসামিপক্ষ সুবিধা পায়। কিন্তু আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় তারা কোনো সুবিধা নিতে পারবে না। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগে ও কুমিল্লায় ২০০ শয্যাবিশিষ্ট পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে। এই হাসপাতালগুলোর প্রতিটিতে একটি করে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) থাকবে।
Visit saltysenoritaaz.com for more information.
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এই পাঁচ হাসপাতালের আসবাব ও যন্ত্রপাতির দরপত্র ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালের জন্য ১ হাজার ৪৭৫ জন করে জনবল লাগবে। প্রতিটি হাসপাতালে পূর্ণ জনবল বরাদ্দ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই জনপ্রশাসনমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
ঢামেক ও মিটফোর্ডে হবে নতুন ভবন
ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট সমাধানে একটি ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এবং সেবক ও চিকিৎসকদের আবাসনব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে ঢামেকে নতুন আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে এই প্রকল্প তৈরি করেছে। কয়েক দিনের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হবে।’
এ সময় রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘মিটফোর্ড হাসপাতালের দু-তিনটি ভবন যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। বিগত সরকারের লোকজন বিভিন্ন সময়ে এগুলো সাবলেট দিয়েছিল। আমরা সেই সাবলেটিং উচ্ছেদ করে ভবনগুলোকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছি। সেখানে নতুন আধুনিক হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে।’
চীনের অর্থায়নে ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট পাঁচটি আধুনিক হাসপাতাল হবে
মাতৃস্বাস্থ্য ও নারীদের চিকিৎসায় বড় উদ্যোগের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীন-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে এবং মূলত চীনের অর্থায়নে দেশের পাঁচটি বৃহৎ শহরে বা শহর–সংলগ্ন উন্মুক্ত স্থানে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট পাঁচটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। এগুলো হবে সম্পূর্ণ নারীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই এই হাসপাতালগুলোর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বেসরকারি হাসপাতালে ১০ শতাংশ শয্যা
ডেঙ্গুর ভেরিয়েন্টের ওপর নির্ভর করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, হাম এবং ডেঙ্গু এ রোগ দুটির প্রতিরোধে কাজ করা হচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য প্রতিটি প্রাইভেট হাসপাতালে ১০ শতাংশ শয্যা বরাদ্দ থাকবে।