কেন আর্জেন্টিনা হতে চায় ইংল্যান্ড
· Prothom Alo

ফুটবলে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার সম্পর্ক শুধু দুই দেশের লড়াই নয়, আবেগ আর বিতর্কে মোড়া এক প্রতিদ্বন্দ্বিতার নাম। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল, ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহামের লাল কার্ড, কিংবা পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মুখোমুখি দ্বৈরথ বারবার ফুটবল–বিশ্বকে আলোড়িত করেছে। মাঠে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডকে তাই একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই দেখে এসেছে বিশ্ব।
Visit moryak.biz for more information.
সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা মুখোমুখি হলে এবারও থাকবে। তবে এ মুহূর্তে একটা জায়গায় আর্জেন্টিনাকেই অনুসরণ করতে চাইছে ইংল্যান্ড। ইংলিশ ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন বলেছেন, বিশ্বকাপ জিততে হলে ইংল্যান্ডকে আর্জেন্টিনার পথে হাঁটতে হবে।
৩৪ বছর বয়সী বার্ন জানান, এখনকার ইংল্যান্ড দলে ক্যাম্পের প্রথম দিন থেকেই ভ্রাতৃত্বের বন্ধন গড়ে তোলায় মনোযোগ দিয়েছে। বিষয়টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তুলে ধরতে গিয়ে তিনি ২০২২ বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনার প্রসঙ্গ টানেন, ‘আমরা দেখেছি, বেশির ভাগ সময়ই সেই দলগুলো জেতে, যাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মেলবন্ধন চমৎকার।আপনি যদি গত বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা দলের দিকে তাকান, দেখবেন তারা সবাই একে অপরের জন্য লড়াই করেছে। আমরাও এটাই চাই।’
ইংলিশ ডিফেন্ডার ড্যান বার্নতবে সবার মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ়ভাবে গড়ে তোলা, অপরের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা নিংড়ে দেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা সব সময় চাইলেই হয় না বলেও মনে করেন বার্ন। নিউক্যাসলের এই ডিফেন্ডার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দীর্ঘদিন পর অল্প কদিনের জন্য একত্রিত হওয়ার উল্লেখ করে যোগ করেন, ‘যখন দীর্ঘদিন একে অপরের সঙ্গে দেখা হয় না, তখন কথাবার্তাগুলো ভাসা–ভাসা হয়ে যায়। কথোপকথন “হাই, কেমন আছেন” শব্দের মধ্যে আটকে থাকে। কিন্তু (বিশ্বকাপে) আমাদের লক্ষ্য একে অপরকে আরও গভীরভাবে জানা, বোঝা।’
‘এল’ গ্রুপে থাকা ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৭ জুন ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে। একই গ্রুপে ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নদের অন্য দুটি ম্যাচের প্রতিপক্ষ ঘানা ও পানামা।
ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, রইল শুধু একটা ফুটবল